বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি নীতিগতভাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন — জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, শিক্ষকদের সমস্যা শুধু পেশাগত নয়, এটি রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের দাবিগুলো যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করতে হবে।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শিক্ষকদের মর্যাদা নিশ্চিত না হলে কোনো সংস্কারই দীর্ঘমেয়াদে সফল হবে না।
বিবৃতিতে তিনি শিক্ষকদের জন্য বিএনপির অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপগুলোর কথা উল্লেখ করেন। এর মধ্যে রয়েছে—
- যুক্তিসঙ্গত আর্থিক সুবিধাসহ চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
- শিক্ষকদের সর্বোচ্চ সামাজিক মর্যাদা প্রদান
- তাদের অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া
মির্জা ফখরুল বলেন, “রাষ্ট্র ও রাজনীতির সংস্কার কিংবা নাগরিক উন্নয়নের যেকোনো প্রচেষ্টা তখনই সফল হবে, যখন শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হবে এবং শিক্ষকদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।”
তিনি আরও বলেন, যদি জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে সরকারের সামর্থ্য অনুযায়ী শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বৃদ্ধি, চাকরি স্থায়ীকরণ এবং ধাপে ধাপে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের বিষয়টি দল ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, “শিক্ষকদের ন্যায্য আন্দোলনকে পুঁজি করে কেউ যদি রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তাহলে বিএনপি কঠোরভাবে তা প্রতিহত করবে। পতিত স্বৈরাচারের সহযোগীদের ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।”









