কুষ্টিয়া দৌলতপুরে

পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগে বিএনপি নেতা শরীফ উদ্দীন জুয়েল এর ত্রাণ বিতরণ

স্টাফ-তুষার কবিরাজ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারির বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে হাজারও পরিবার পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন উঁচু বাঁধে কিংবা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে। খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তীব্র সংকটে দিন কাটাচ্ছে এসব পরিবার।

এমন দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে আজ শনিবার- বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পানিবন্দী মানুষের পাশে দাঁড়ালেন বিএনপির নেতা ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক  ও দৌলতপুর-১ এর মনোনয়ন প্রত্যাশী  শরীফ উদ্দীন জুয়েল ‍। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রমজান আলী, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আবিদ হাসান মন্টি সরকার, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাত, উপজেলা যুবদলের নেতা ইমরান হোসেন সবুজসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ত্রাণ বিতরণের সময় শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, “বিএনপি সবসময় মানুষের পাশে থাকে এবং সংকটকালীন সময়ে জনগণের দুঃখ-দুর্দশা ভাগ করে নিতে এগিয়ে আসে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি ত্রাণ কার্যক্রম খুবই সীমিত, যা ভুক্তভোগী মানুষের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়। তাই দলের পক্ষ থেকে আমরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।”

স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ নদীর পানিবন্দী অবস্থায় থাকলেও এখনো যথেষ্ট সরকারি সহায়তা মেলেনি। অনেক পরিবার শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসা সেবার অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন। এই অবস্থায় বিএনপির ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নির্দেশে আমার প্রাণ প্রিয় নেতা শরীফ উদ্দীন জুয়েল এর  উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম স্থানীয় মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দিয়েছে।

ত্রাণ হিসেবে চাল, ডাল, তেল, লবণ, শুকনো খাবার, স্যালাইনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য ওষুধ ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়।

বিএনপি নেতাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই ত্রাণ কার্যক্রম স্থানীয় পানিবন্দী মানুষের মধ্যে কিছুটা আশার সঞ্চার করেছে। তবে তারা আশা করছেন, এই সহায়তা যেন এককালীন না হয়ে ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকে এবং পাশাপাশি সরকারি সহায়তাও বৃদ্ধি করা হয়।

পদ্মা নদীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দৌলতপুরবাসী এখন দিন গুনছে কবে পানি কমবে এবং তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। ততদিন পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা ছাড়া তাদের বেঁচে থাকা কষ্টকর হবে। এ অবস্থায় রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সরকার—সবার একসাথে এগিয়ে আসা জরুরি হয়ে পড়েছে।

আপনার মন্তব্য

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

অনুসরন করুন

সর্বশেষ খবর

স্বত্ব © ২০২৫ লিড নিউজ বিডি

Design & Developed : Rose IT BD